জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল শিক্ষার্থী সংসদ-২০২৫ নির্বাচন পেছানোর দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। তবে নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির।
রোববার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় দুই সংগঠন তাদের অবস্থান তুলে ধরে। সভায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “আমরা ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসু নির্বাচন দেখেছি। সেখানে তফসিল ঘোষণার পর অন্তত দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে ২৭ নভেম্বর। এতে সাংগঠনিক প্রস্তুতির সময় খুবই সীমিত।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ঘোষিত মাসব্যাপী কর্মসূচি ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। বিধিমালা অনুযায়ী তখন ক্যাম্পাসে কোনো কর্মসূচি রাখা যাবে না। এজন্য বিধিমালায় পরিবর্তন আনা ও নির্বাচনের সময়সীমা কিছুটা পেছানো প্রয়োজন।”
অন্যদিকে ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই জকসু নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছিল। প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব হলো নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা। প্রয়োজনে ৪৮ থেকে ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে নির্বাচন পেছানো উচিত নয়।”
ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এ কে এম রাকিব বলেন, “শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবং সবার কাছে পৌঁছানোর সুযোগ দিতে নির্বাচনের সময় কিছুটা পেছানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।”
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।