রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) 'বৈশ্বিক জলবায়ু ধর্মঘট-২০২৫' অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।কর্মসূচিটির আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রাইডেস ফর ফিউচার–রাজশাহী ও ইউরিচ। এছাড়া পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা প্রদান করে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ।
নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাদিয়া আউয়াল ত্রিশা বলেন, জলবায়ু প্রতিরোধ না করলে আমাদের ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হুমকির সম্মুখীন হবে। যদি পরিবেশকে রক্ষা করতে না পারি তাহলে কোনো ভাবেই সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস অর্জন করা সম্ভব হবে না। জ্বালানি সম্পদ সংরক্ষণে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি ব্যবহার করবো না।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইরফান তামিম বলেন, ক্লাইমেট চেঞ্জের ফলে বাংলাদেশের মানুষই বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে। কার্বন নিঃসরণের দিক দিয়ে কম নিঃসরণ করছি কিন্তু ভুক্তভোগী দিক দিয়ে আমরাই বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছি। ক্লাইমেট চেঞ্জের ফলে অসময়ে বন্যা হচ্ছে, রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি পাওয়া যাচ্ছে না, কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব আমাদের উপর সার্বিকভাবে প্রভাব ফেলছে। সকার যেন বিভিন্ন গ্লোবাল সামিটে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা এবং গ্লোবাল স্ট্রাইক সফল করতে সাহায্য করা।
রাবির গ্রিন ভয়েজের ছাত্র উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহসান হাবীব বলেন, আমরা তরুণরা বিভিন্ন মুভমেন্টের মাধ্যমে বিশ্বে নজরে সমস্যাগুলো তুলে ধরতে চাচ্ছি এবং পৃথিবীতে যেসব পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ চলছে সেসব প্রতিরোধ করার জন্য এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি করায় আমাদের মূল লক্ষ্য।