সরকার সম্প্রতি ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়া প্রকাশ করেছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন ও গবেষণার পরিবেশ আধুনিক করার লক্ষ্য রাখে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমাবদ্ধতা এবং জাতীয় পর্যায়ে জ্ঞান ও গবেষণায় অগ্রগতি নিশ্চিত করার জন্য এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি স্থাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও বহুমাত্রিক শিক্ষার প্রসার হবে। এটি মূলত রাজধানীর শিক্ষাব্যবস্থার শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়টি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজের অবকাঠামো ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
উল্লেখিত কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজ। এই কলেজগুলোর ক্যাম্পাস দিনের নির্দিষ্ট সময় (দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু শিক্ষাদানের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এখানে গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সমৃদ্ধি ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। প্রশাসনিক কাঠামোও আধুনিকায়ন করা হবে, যাতে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং গবেষকরা সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ ঢাকা মহানগরের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হবে। এছাড়াও, এটি শিক্ষার মান উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও গবেষণার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলবে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শিক্ষার কেন্দ্র থেকে আরও বেশি সুযোগ পাবে।
সরকারি এই পদক্ষেপ শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীর সুযোগ বৃদ্ধি এবং দেশের জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।