হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সম্প্রতি উত্তেজনার মুখে পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যাকে উদ্দেশ্য করে তিনটি ভয়েস বার্তা ফাঁস হওয়ায় প্রশাসন তা ‘মানহানিকর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ঘটনার তথ্য পেয়ে উপাচার্যের একান্ত সচিব মহিউদ্দীন আহাম্মদ সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে অবহিত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাঁচ সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শফিকুল ইসলাম শিকদার। কমিটিতে আরও আছেন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মনিরুজ্জামান বাহাদুর, ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির এবং রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান। কাউন্সিল শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. মোখলেছুর রহমান সালাফী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। তারা ফাঁস হওয়া বার্তার উৎস, উদ্দেশ্য এবং তার প্রভাব বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট জমা দেবেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ গেস্ট হাউজের টেন্ডার, ঘুষ গ্রহণ এবং ব্যক্তিগত ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২১ সেপ্টেম্বর অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং কার্যক্রমের উপর প্রশ্ন তুলেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনার যথাযথ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে যাতে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি প্রতিরোধ করা যায় এবং শিক্ষাঙ্গনের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।