চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে কার্যনির্বাহী পরিষদের বিভিন্ন পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ৪২৯ জন প্রার্থী। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন চাকসু নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. একেএম আরিফুল হক সিদ্দিকী।
তিনটি প্রধান পদ—সহ-সভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস)—এই পদগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬৯ জন প্রার্থী। এই তিনটি পদকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি আগ্রহ, উত্তেজনা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে ক্যাম্পাসজুড়ে।
অন্যদিকে, অন্যান্য পদের মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে: ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক পদে ১২ জন, সহ-ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক ১১ জন, সহ-খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ১৫ জন, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক ১৮ জন এবং স্বাস্থ্য সম্পাদক পদের জন্য ১৭ জন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদ থেকে নির্ধারিত সদস্য পদের প্রতিও ব্যাপক প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যাচ্ছে। পাঁচটি আসনের বিপরীতে মোট ৮৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে শুধু “নির্ধারিত সদস্য–৫” পদের জন্যই লড়ছেন ৩২ জন প্রার্থী।
এছাড়াও, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়ক সম্পাদক, বিতর্ক সম্পাদক, সামাজিক ও পরিবেশ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদেও একাধিক প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন।
চাকসু নির্বাচন ঘিরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি আবারও চাঙা হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও জোটের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রচারণায়।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৩ সেপ্টেম্বর এবং ২৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ অক্টোবর, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত, ওএমআর পদ্ধতিতে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।